Friday , October 18 2019
Home / Android apps/tips / প্লে-স্টোরে ভর্তি নকল অ্যাপ থেকে সাবধান!

প্লে-স্টোরে ভর্তি নকল অ্যাপ থেকে সাবধান!

নতুন ফোন কিনে আমরা কী করি? প্লে-স্টোরে যাই, অ্যাপস নামাই কিংবা ‘শেয়ার ইট’-এর মাধ্যমে গেমস নিই! কিন্তু সরাসরি নিজে বা বন্ধুর নামানো গুগল প্লে-স্টোরের সব অ্যাপই কি নিরাপদ?

যেকোনো একটি অ্যাপের নাম লিখে প্লে-স্টোরে সার্চ দিন। গুগল প্লে-স্টোর, উইন্ডোজ স্টোর কিংবা আইওএসের অ্যাপ স্টোর—যেখানেই থাকুন না কেন, দেখবেন কাছাকাছি নামের দেখতে একই রকম বেশ কিছু অ্যাপ হাজির হবে। যেমন—ভাইবার লিখে সার্চ দিলে ভাইবার, ভাইবার মেসেঞ্জার, ভাইবার মিডিয়া ইত্যাদি দেখতে পাবেন। তাহলে কোনটি ইনস্টল করবেন?

অবশ্যই, যেটি কেবল ভাইবার নামে আছে! এ ক্ষেত্রে সঠিক অ্যাপ চেনার আরেকটি উপায় হচ্ছে ডেভেলপারের নাম ও রিভিউ দেখা।

ডেভেলপারের নাম কেন দেখবেন?

নিশ্চয়ই ভাবতে পারেন যে ডেভেলপারের নাম দেখে আপনার কী লাভ! লাভ না থাকুক, ক্ষতি যে হবে না এতে নিশ্চিন্ত থাকুন। অনেক সময় দেখা যায় জনপ্রিয় বিভিন্ন সেবার নামে রাম/রহিম অনেকেই নামকাওয়াস্তে অ্যাপ দিয়ে বসে থাকে। এসবে তথ্য চুরিসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে।

তাই অ্যাপের নিচে ডেভেলপারের নাম দেখুন। প্রয়োজনে গুগল করে বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে যাচাই করে দেখে নিন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া আছে কি-না, তাও লক্ষ করতে ভুলবেন না।

রিভিউঃ

বন্ধু তোমার পথের সাথি!

প্লে-স্টোরের অ্যাপগুলো সম্পর্কে জানার সবচেয়ে ভালো উপায় ‘রিভিউ’। রিভিউ হচ্ছে ওই অ্যাপ সম্পর্কে আগের ব্যবহারকারীদের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া।

ইনস্টল বাটনের একটু নিচেই রিভিউ দেওয়া থাকে, পড়ে দেখুন কে কী বললেন! সঙ্গেই দেখবেন কতগুলো তারকা চিহ্ন দেওয়া আছে, সেসবের কিছু ভরাট—এখান থেকেও বুঝে নিতে পারেন আসলে অ্যাপটি কতটা জনপ্রিয়।

একটি অ্যাপে আসলে ঠিক কতটি রিভিউ থাকলে তা নিরাপদ, এমন কোনো নির্ধারিত সংখ্যা নেই। তবে সাধারণ বিবেচনায় কার্যকর কোনো অ্যাপ্লিকেশন যেহেতু কেবল দুই, চার বা দশজন ব্যবহার করেন না, তাই এই সংখ্যা অবশ্যই অনেক বেশি হয়ে থাকে।

ছদ্মবেশী মোবাইল সাইট থেকে সাবধানঃ

মাঝেমধ্যে দেখা যায়, বেশ কিছু ওয়েবসাইট তাদের মোবাইল ভার্সনে বেশি রিডার আনতে ও অ্যাডের ভিউ বাড়াতে সেটিকে অ্যাপ আকারে সাজিয়ে প্লে-স্টোরে প্রদর্শন করে। এসব ছদ্মবেশী সাইট থেকে সাবধান! মনে রাখবেন, অ্যাপ তথা অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে সেটি যা আপনার বাড়তি কাজ করে দেয়, কেবল দেখানোর বা পড়ানোর জন্য না।

গুগল প্লে-স্টোর সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ স্টোর, এতে কোনো সন্দেহ নেই; কিন্তু এখানেও মাঝেমধ্যে দেখা মেলে ভয়ংকরতম ফাঁদ বা অনলাইন আক্রমণের। তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত সব অ্যানড্রয়েড মোবাইল ব্যবহারকারীকেই।

পাশাপাশি আরো মনে রাখবেন, অনেক সময় বিশেষ অফার বা সুবিধার কথা বলে কিছু কিছু অ্যাপ ইনস্টল করার ক্ষেত্রে ‘অ্যালাউ থার্ড পার্টি অ্যাপস’ সুবিধা চালু করার কথা বলে। এ ধরনের আহ্বানে সাড়া দেবেন না।

ফোন একান্ত নিজস্ব ডিভাইস, তাই এতে রক্ষিত তথ্য ও ফাইলের নিরাপত্তা রক্ষা করা উচিত সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে। আপনার অ্যানড্রয়েড ফোনের নিরাপত্তার জন্য অবশ্যই মোবাইল সিকিউরিটি ব্যবহার করুন ও নিরাপদ থাকুন।..

Check Also

নির্দিষ্ট সময়ে পিসিকে যেভাবে অটো শাট ডাউন করবেন

বর্তমান যুগ অটোমোশনের যুগ। কম্পিউটারের প্রায় সব কাজকেই এখন অটোমোশনের আওতায় নিয়ে আশাকরি এবং বন্ধ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *