Wednesday , March 20 2019
Home / অনলাইন আর্নিং / যে ১০ পদ্ধতিতে আপনি খুব সহজে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।

যে ১০ পদ্ধতিতে আপনি খুব সহজে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।

হ্যালো টেকটিউনস কমিউনিটি, কেমন আছেন সবাই? বৃষ্টি রৌদ্রের এই মিশ্রিত আবহাওয়ার মধ্যে ভালো আছেন আশা করি। নিত্য-নতুন টপিকস ছাড়া আমার টিউন করায় এখন অনেক এলার্জি ধরে গেছে। বেশ কিছু দারুণ নতুন টপিকস আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে আসার অপেক্ষায়। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

আর আজকের টপিকসটা একটু ভিন্ন। আমরা যারা অনলাইনে দিনের পর দিন সময় কাটায় তারা একটু চিন্তা ভাবনা করে আগালে বেশ ভালো একটা এমাউন্ট আপনি এখান থেকে উপার্জন করতে পারেন। অনেক বেশি অনলাইন পেশাজীবীদের সঙ্গে উঠতে বসতে দেখেছি তারা যে ভিন্ন কিছু করেন এমন না। তবে যে জিনিসটা শিখে নিছেন তা অনেক ভালো করে। ফলে দিনের পর দিন কিছুটা প্রোডাক্টিভ সময় দিয়ে তারা অনলাইন থেকে কিছু টাকা কামাচ্ছেন। সে সব বিভিন্ন বিষয় আপনাদের স্পেসিফিক অন্য সব টিউনে শেয়ার করবো। সেই সাথে কিছু টিপস দিবো যা হয়তো আপনাদের এই পেশায় একটু সময় দিয়ে ভালো একটা আর্নিং পথ বের করে দিবে। আমি অলরেডি একটা শ্লোগান বের করেছি সেটা হলো স্টুডেন্ট লাইফে মিনিমাম ১০ইনকাম করা। সেসব দারুণ বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, এক্সপেরিমেন্ট সহ। তবে একটু সময় সাপেক্ষ।

ক্রিয়েটিভ চিন্তা আপনাকে নতুন যুগ দিবে

আর আজকের টিউন এই অনলাইন আর্নিং নিয়ে, তবে এটা একটু ভিন্ন এবং আপনি কোয়ালিটিফুল হলে সেটা আপনি নিজেও খুব সহজে করতে পারবেন। তাঁর মধ্যে কিছু কিছু একটু কস্ট নিয়ে করে রাখলে ভবিষ্যতে শুধু রেভিন্যিই আসতে থাকবে।

অনলাইন ইনকামের ১০ কিলার পদ্ধতিঃ

১) ডিজাইনঃ

আপনি যদি ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার হন, তাহলে আপনি খুব ভালোভাবে অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। অনেকে ডিজাইনিং টাকে এখন ঐভাবে মূল্যায়ন না করলেও এটার চাহিদা আছে ঠিক আগের মতোই। এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে আপনি এই ডিজাইনিং এর কাজ পাবেন না।

তবে আপনাকে ভালো মানের ডিজাইনার হতে হবে এবং সেই সাথে ভালো ভালো পোর্টফলিও শো করতে হবে।

ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার

২) ফ্রিল্যান্সিং:

ফ্রিল্যান্সিং পেশাটা অনেকে পছন্দ করেন তাঁর স্বাধীনতার জন্য। অনেকে মনে করেন এটার চাহিদা কমতে শুরু করেছে। কিন্তু না দিন দিন মানুষ এটার প্রতি বেশি ঝুকে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন সেবা এখনও ফ্রিল্যান্সিং থেকে করিয়ে নিতে পছন্দ করেন।

ভার্চুয়াল সহযোগিতা, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ওয়েব ডেভেলপিং এর মতো কাজ করে আপনি স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করতে পারেন এই ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে।

অনলাইন পেশাজীবী

৩) ভিডিও শেয়ারিং:

ভিডিও শেয়ারিং বলতে দারুণ সব কমেডি বা শিক্ষণীয় ভিডিও আপনি তৈরি করতে পারেন, তারপর সেগুলো ইউটিউব বা অন্য ভিডিও শেয়ারিং সাইটে দেখানোর মাধ্যমে আপনি সহজে ইনকাম করতে পারেন।

তবে আপনাকে ভিডিও ক্রিয়েশনে অনেক বেশি এক্সপার্ট হতে হবে। গতানুগতিক ভিডিও আপনাকে হতাশ করবে।

ভিডিও শেয়ারিং

৪) অনলাইন সেবাঃ

বিশ্ব এখন এগিয়ে যাচ্ছে অনেক দ্রুত। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখন ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে। সবসময় যেন কাস্টমার তাদের সাথে রিলেটেড থাকতে পারে সেজন্য এখন অনলাইন নির্ভর অনেক সেবা রাখে প্রতিষ্ঠানগুলো। তাঁর মধ্যে কাস্টমার সাপোর্ট, ই-মেইল প্রেরন বা অন্য অনেক সেবা। যা আপনি অনলাইনে বাড়ি বসে করতে পারেন। যা আপনাকে দিতে পারে ভালো এমাউন্ট। 

অনলাইন সেবা

৫) ফিন্যান্সিয়াল সেবাঃ

ফিন্যান্সিয়াল অনেক সেবা অনেকে এখন অনলাইনে মেটাতে আগ্রহী। সেহেতু আপনি যদি ভালো বিজনেস জায়ান্ট হন, তাহলে ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আপনি বিভিন্ন ফিন্যান্সিয়াল সেবা দিতে পারেন। বিজনেস হিসাব বা ডাটা শিট তৈরি সহ আরও অনেক কাজ পাবেন আপনি অনলাইনে।

ফিন্যান্সিয়াল সেবা

৬) টিউটোরিং

অনলাইন শিক্ষা এখন অনেক জনপ্রিয়। অনেকে সারাদিন ব্যস্ত থাকার কারনে অনেক বিষয় শেখার ইচ্ছা থাকলেও শিখে নিতে পারেন না সময়ের অভাবে। সেজন্য তারা বাসায় বসে শেখার কোন মাধ্যম খোঁজে।

সেহতু আপনি অনলাইনে টিউটোরিং এর মাধ্যমে সেই সব আগ্রহী মানুষকে শেখাতে পারেন। আর নিজেও একটা ভালো ইনকাম সোর্স বের করে নিতে পারেন।

টিটোরিং

৭) বাড়ির তৈরি শখের প্রোডাক্ট তৈরিঃ

অনেকে শখের বসে বিভিন্ন প্রোডাক্ট তৈরি করেন। যা তাঁর নিজের ক্রিয়েটিভ চিন্তা থেকেই করে থাকেন। এসব প্রোডাক্ট আবার যন্ত্রে করা প্রোডাক্টের তুলনায় অনেক বেশি চাহিদাবহুল এবং গ্রহণযোগ্য।  😉

সেহেতু আপনি এই শখের জিনিস আরেকটু পরিকল্পনা করে সর্বজনবান্ধব করে বিক্রি করতে পারেন। যা আপনার এক্সট্রা কিছু বেনিফিটেড করবে।

শখের প্রোডাক্ট তৈরি

৮) সেল সেবাঃ

আপনি যদি ভালো মার্কেটিং এক্সপার্ট হন তাহলে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। অনেক প্রতিষ্ঠান অনেক ভার্চুয়াল ব্যক্তি হায়ার করেন তাদের পণ্যের মার্কেটিং এর জন্য।

যেটা আপনি ২/৩ ঘণ্টা বাড়ি অনলাইনে বসেই একাজ করতে পারবেন। যেটা আপনাকে এক্সট্রা অনেক পাওয়া এনে দিবে।

মার্কেটিং এক্সপার্ট

৯) ব্লগিং

একুশ দশকে ব্লগিং অনেক বড় একটা ইনকাম মাধ্যম হতে পারে। আপনি পেইড রাইটার হয়ে বা নিজে ব্লগিং করে বা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজের প্রচারের সাথে সাথে নিজে ভালো একটা স্মার্ট ইনকাম সোর্স বের করতে পারেন।

ব্লগিং এক সময় শখের হলেও এই শখ এখন মানি জেনারেট করতে পারে অন্য অনেক জবের থেকে ভালো ভাবে।  🙄

ব্লগিং

১০) কাস্টোমার সার্ভিসঃ

অনলাইন সেবামুলক সব প্রতিষ্ঠানের এখন কাস্টোমার সেবা আছে। বিভিন্ন ফোন কোম্পানি থেকে শুরু করে ছোট-বড় সকল প্রতিষ্ঠান এখন অনলাইন মুখী। আর যেহেতু এখন মানুষ অনলাইনে বাড়ি বসে সেবা নিতে বেশি অভ্যস্থ সেহেতু এই সুযোগে আপনি নিজেকে অনলাইন কাস্টোমার হিসাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন। যেটা আপনার ইনকামের বিশাল একটা ক্ষেত্র হতে পারে। সেই সাথে স্বাধীনতা।

তবে এক্ষেত্রে আপনার ভাষা জ্ঞান থাকতে হবে দারুণ।

কাস্টোমার সার্ভিস

অনলাইনে এরকম আরও ইনকাম সোর্স আছে যেটা একটু সময় দিয়ে করে ফেলা সম্ভব। আর আমি কিছু ২০১৫ সালের নতুন ইনকাম জেনারেট পদ্ধতি যেটা অনলাইনে বসে একটু নিজেকে কোয়ালিটিফুল করেই ইনকাম করা সম্ভব সেগুলো পরবর্তী টিউনগুলোতে ধীরে ধীরে তুলে ধরবো। যেটা অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক বেশি চাহিদা বহুল। 

সেই পর্যন্ত আরও অনেক প্রযুক্তি টিউনের স্বাদ নিতে থাকুন। আমিও অন্য অনেক টপিকস নিয়ে আসবো। 

সবাই বেশি বেশি তথ্য সমৃদ্ধ হোন। তথ্য মানুষকে গড়ে তুলতে পারে। 

ধন্যবাদ সবাইকে।

পাঠকের মন্তব্য

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *