Powered by Ajaxy
Sep 4, 2019
134 Views

জেনে নিন ‘ইউটিউবার হতে কী কী করবেন?

Written by

ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউবেরে রয়েছে বহু সম্ভাবনা। আপনি যদি ইউটিউবে নিজের চ্যানেল খুলতে চান, তাও সম্ভব। এ লেখায় তুলে ধরা হলো ইউটিউবে সাফল্যের কয়েকটি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

২০১৪ সালে জোয়ে অ্যাহার্ন একজন তারকা হওয়ার আশায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে যান। তবে তিনি চলচ্চিত্র কিংবা টেলিভিশনে তারকা হওয়ার চেষ্টা করেননি। তিনি ইউটিউবের তারকা হওয়ার চেষ্টা করেন।

অ্যাহার্ন বলেন, ‘সম্পূর্ণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই এখানে রয়েছে।’

অ্যাহার্ন বিভিন্ন ধরনের কমেডি স্কিট ভিডিও তৈরি করতে থাকেন। আর এসব ভিডিও দিয়েই তিনি বিখ্যাত হয়ে যান। এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি।

ইউটিউবের এ ব্যবসাকেই ফুল টাইম কাজ হিসেবে নেন অ্যাহার্ন। তিনি ইউটিউব থেকে যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন, তা বহু মানুষের কাছেই বিস্ময়।

ইউটিউবে বিজ্ঞাপনদাতারা বর্তমানে বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছেন। এর বড় অংশ রিহানা ও জাস্টিন বিবারের মতো তারকাদের পেছনে ব্যয় হলেও বহু মানু্ষই ইউটিউবের এ ব্যবসা থেকে ভালো অর্থ কামিয়ে নিচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ইউটিউব কমিক পিউডাইপাইয়ের কথা। এটি থেকে গত বছর ১২ মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে।

ইউটিউবে যাদের ভালো সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তারা বিখ্যাত হয়ে যান। বহু ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের তিন মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের ইউটিউবও যথেষ্ট সমাদর করে।

তবে ইউটিউবে ক্রমাগত নিত্যনতুন চ্যানেল তৈরি হয়। আর এসব চ্যানেলের কারণে পুরনোদের সব সময়ই সতর্ক থাকতে হয়। ফলে প্রচণ্ড প্রতিযোগিতা চলে সব সময়।

আপনি যদি ইউটিউবে বড় কোনো সাফল্য দেখাতে চান তাহলে তা মোটেই সহজ বিষয় নয়। কাজটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। একটা ওয়েবক্যাম নিয়ে বসে গেলাম আর বহু মানুষ আপনার সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে, বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। এজন্য আপনার বহু বিষয় শিখতে হবে। বুঝতে হবে ব্যবহারকারীদের মানসিকতা।

১৯ বছর বয়সী কম্পিউটার প্রকৌশলী হান্নাহ হফম্যান। তিনি দেড় মিনিটের অ্যানিমেশন তৈরি করেন। তিনি জানান, এ ভিডিওগুলো তৈরি করতে তার আট ঘণ্টা করে সময় লাগে। আর এগুলো তিনি তার চ্যানেলে আপ করেন। এগুলো ব্যবহার করে তার স্বপ্ন ছিল এক লাখ সাবস্ক্রাইবার তৈরি করা। কিন্তু একসময় তার সে সংখ্যাটি স্বপ্ন মনে হলেও বাস্তবে পরিণত হয়। এরপর তা পাঁচ লাখে পৌঁছে এবং বাড়তে থাকে।

তিনি বলেন, ‘এখানে বহু সংখ্যা রয়েছে। লাইক, কমেন্ট, ভিউ, সাবস ইত্যাদি…..

যেগুলো নিয়ে চিন্তা করা বোকামি। এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে থাকলে আপনি ব্যর্থ হবেন।’

তার মতে ইউটিউব সমাজের সঙ্গে সংযুক্ত থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। আর এটিই তাকে এগিয়ে নিয়েছে।

ইউটিউবে ক্ষুদ্র ও বড় নির্মাতাদের মাঝে পার্থক্য ক্রমে বড় হচ্ছে। তবে সফল ইউটিউবার টায়লার ওকলে বলেন, ‘আমি এ বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখেছি। কারণ এখন এটি অত্যন্ত জনবহুল মানুষের বাজারে পরিণত হয়েছে, যারা এখানে কিছু করতে চাচ্ছে।’

তবে নিজের সাফল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে উপস্থিত হতে পেরেছি। যখন এতটা ভিড় ছিল না, তখনই তা তৈরি করতে পেরেছি।’

ইউটিউবে তারকা হয়ে ওঠাও হলিউডে তারকা হওয়ার মতো বিষয়। তবে এখানে নিজেকেই ইউটিউবার হতে হয়। আর ক্রমাগত চেষ্টা করে গেলে সাফল্য পেতেও দেরি হয় না।.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *