Powered by Ajaxy
Dec 3, 2020
219 Views
Comments Off on কম্পিউটারের ইতিহাস (History of Computer)

কম্পিউটারের ইতিহাস (History of Computer)

Written by

হেই টেকলাভারস,আমি চেষ্টা করব আপনাদের নতুন কিছু দেওয়ার এবং অবশ্যই সেগুলা হবে আমার রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স থেকে, হেল্প ডেস্কে যেগুলা প্রশ্ন জমা পরবে সেগুলার উত্তর আপনাদের যথাসাধ্য সঠিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা করবো আপনারা আমার টিউন গুলো সব ভালভাবে পড়বেন এবং বুঝার চেষ্টা করবেন, যদি কোথাও বুঝতে কোন অসুবিধা হয় কমেন্টে জানাবেন আমি চেষ্টা করবো আরোও ক্লিয়ার কন্সেপ্ট দিতে ইনশাআল্লাহ সবশেষে সবার জন্য শুভকামনা এবং সবাই আমার জন্য দুয়া করবেন যেন আমি ভাল কিছু অবশ্যই করতে পারি

কম্পিউটারের ইতিহাস (History of Computer)

আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয় চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) (১৭৯১-১৮৭১) নামে একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদের হাতে। অনেকে তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলে থাকেন। তিনি তৈরি করেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন। ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে চার্লস ব্যাবেজের বর্ণনা অনুসারে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়। দেখা যায় যে, সেটি সঠিকভাবেই কাজ করছে এবং পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন।

তবে গণনার কাজটি কীভাবে আরো কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace) (১৮১৫-১৮৫২)। মায়ের কারণে অ্যাডা ছোটবেলা থেকে বিজ্ঞান ও গণিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি ব্যবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য ‘প্রোগ্রামিং’-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। ১৮৪২ সালে ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন।

সে সময় অ্যাডা ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে পুরো বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি বর্ণনা করেন। কাজের ধারা বর্ণনা করার সময় তিনি এটিকে ধাপ অনুসারে ক্ৰমাঙ্কিত করেন। অ্যাডার মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা আসলেই অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটা প্ৰকাশ করেছিলেন।

ব্যাবেজ আর অ্যাডার এই কার্যক্রমের পাশাপাশি সে সময় পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়। বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যক্সওয়েল (James Clerk Maxwell) (১৮৩১-১৮৭৯) তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্ৰকাশ করেন, যা বিনা তারে বার্তা প্রেরণের একটি সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।

1969 সালে আরপানেট (Arpanet) আবিস্কৃত হয়। বলা যায়, তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বিকশিত হতে শুরু করে। আর এ বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট। ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যেম পত্রালাপের সূচনা করেন আমেরিকার প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন (Ramond Samuel Tomlinson) | তিনিই প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।

Comments are closed.