Saturday , June 25 2022
Home / Tips & Tiricks / আইডি কার্ড অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম

আইডি কার্ড অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম

এর জন্য প্রথমে নির্বাচন কমিশন অফিসের ওয়েবসাইট (www.service.nidw.gov.bd) প্রবেশ করতে হয়। এরপর ফরম নম্বর অপশনে ক্লিক করতে হয়। ভোটার আইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার সময় যে নম্বর দেয়া ছিল তা ফর্ম নাম্বারের জায়গায় ক্লিক করতে হয়। … সেখানে ডাউনলোডে ক্লিক করলেই ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড হয়ে যায়।

আইডি কার্ড অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম

জরুরী ভিত্তিতে ভোটার আইডি কার্ড দরকার অথচ এখনো মূল আইডি কার্ড হাতে পান নি! কোন সমস্যা নেই, অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন, খুবই সহজ উপায়ে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড যা প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের জন্য একটি বাধ্যতামূলক নথি পত্র। এই ছোট একটি কার্ডই কিন্তু আপনার পরিচয় বহন করে।

আপনি কোন দেশের নাগরিক, আপনার নাম, স্বাক্ষর, পিতা মাতার নাম, ব্লাড গ্রুপ, ঠিকানা সহ বর্তমানে বায়োমেট্রিক সেন্সর ব্যবহার করে  ফিগারপ্রিন্ট ও চোখের লেন্স স্ক্যানের মাধ্যমে আপনার পরিচিতির নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে থাকে এই কার্ডটি।

  • আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই?
  • ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায়
  • নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম?
  • নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব?
  • ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে বানাবো ?
  • ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম
  • ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে কিভাবে পাব?
  • জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম
  • ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন
  • ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম
  • হারানো আইডি কার্ড উত্তোলনের আবেদন ফরম
  • ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম
  • ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন ফরম
  • অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন
  • আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন কপি

উপরে উল্লেখ করা যেকোন প্রশ্ন আপনার মনেও থেকে থাকলে আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে নিন, ঘরে বসে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, ভোটার আইডি চেক ও অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ।

অনলাইন থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করার উপায়

কিভাবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য গুলো দেখবেন? ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম কি?

আপনাদের নানা ধরনের সমস্যার সমাধান নিয়েই আজকের লেখাটি এবং এ-সংক্রান্ত  যে সকল সমস্যা গুলোর রয়েছে তার সমাধান সম্পর্কে জানাতেই আমাদের এই প্রয়াস।

অনলাইন থেকে কিভাবে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করবেন সেবিষয়ে তো আমরা জানবোই, তবে তার আগে ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

ভোটার আইডি কার্ড বা এনআইডি কার্ড কি?

বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রতিটি ব্যক্তিকে সরকারি খাতায় নথিভুক্ত হতে হয় যখন ব্যক্তির  বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়ে যায় এবং এই নথিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র বা এন আইডি কার্ড বা ভোটার আইডি  কার্ড পেয়ে থাকি। এই কার্ডটি প্রমাণ স্বরূপ কাজ করে থাকে যেমন আপনি এদেশের নাগরিক কিনা, আপনার পরিচয় কি ইত্যাদি নানা ধরনের তথ্য বহন করে থাকে।

ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র একটি দেশের নাগরিকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। ১৮ বছর বা তার উর্দ্ধে সকল ব্যক্তিকে নথির তালিকা ভুক্ত করনের লক্ষ্যে সরকার আমাদের সুবিধার্থে বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংগ্রহ করে থাকে। এছাড়া বর্তমানে অনলাইন সেবার মাধ্যমেও আপনি চাইলেই বিভিন্ন তথ্য সহ আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ পর্যন্ত করতে পারেন।

বাংলাদেশে কবে থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রচলন শুরু হয়?

বাংলাদেশে ২২ জুলাই ২০০৮ সাল থেকে ১৮ বছর বয়সী সকল নাগরিকের জন্য ১০ বছর মেয়াদি একটি পরিচয়পত্র প্রনয়ণ চালু হয়। যা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নির্বাচন ছাড়াও বিভিন্ন কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন পরিচয়পত্র সংক্রান্ত আরও বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের জন্য ২ অক্টোবর ২০১৬ সালে স্মার্ট আইডি কার্ডের প্রচলন শুরু করে। এ স্মার্ট আইডি কার্ডে একটি চিপ কার্ড বা ইন্টারগ্রট সিক্রেট কার্ড থাকে যেখানে একজন নাগরিকের সকল তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।

কিভাবে আপনি নিজে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রটি অনলাইনে দেখবেন?

এখন ঘরে বসে অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন । আপনি চাইলেই খুব সহজে নিজেই নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পর্কে সকল তথ্য ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে জানতে ও ডাউনলোড করতে পারবেন।

কিভাবে করতে হবে? কোথা থেকে করবেন? কি কি তথ্যের প্রয়োজন হবে সবকিছু জানতে স্টেপ বাই স্টেপ গাইডটি ফলো করতে থাকুন।

অনলাইন থেকে স্মার্ট আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করবেন কিভাবে?

যারা নতুন ভোটার তালিকায় নাম দিয়েছেন অথবা যাদের স্মার্ট আইডিটি এখনও হাতে পাননি তারা কিভাবে কি করবেন বা আইডি কার্ডটির কপি কিভাবে পাবেন বা এটি কোথায় ব্যবহার করতে পারবেন ইত্যাদি নানা সমস্যার সমাধান জানতে আপনাকে আমাদের লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। আশা করছি আপনার কাঙ্খিত প্রশ্নের উত্তরটি পেয়ে যাবেন।

ভয় পাবেন না, আজকের লেখাটির মাধ্যমে আমরা আপনাদের কাছে এসব জিনিস গুলো  তুলতে ধরার চেষ্টা করব, যেন আপনার বুঝতে আরও সহজ হয়। চলুন জেনে আসি তাহলে নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে, এবং জানার পর অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ঘরে বসে।

অনলাইন থেকে আপনার ভোটার আইডি সংগ্রহ করুন

অনলাইন থেকে আপনি চাইলেই যেকোন সময় আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি সহজে সংগ্রহ করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে –

  • প্রথমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নামক ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করুন। সেখানে অন্যান্য তথ্য নামক অপশন এর মাঝে ভোটার তথ্য অপশনটিতে ক্লিক করুন। আপনি চাইলে services.nidw.gov.bd লিংকের মাধ্যমে সরাসরি ওয়েবসাইটি ভিজিট করতে পারবেন।
  • এখানে আপনি ২টি অপশন পাবেন ফর্ম নম্বর (ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর) ও এন আই ডি নম্বর। এর মাঝে আপনাকে যেকোনো একটি অপশন সিলেক্ট করতে হবে যে নম্বরটি আপনার কাছে আছে।
  • নিচে এন আই ডি নম্বর / ফরম নম্বর এবং জন্ম তারিখ এর সঠিক তথ্য দিন। এরপর একটি বক্সে থাকা ক্যাপচার টি  হুবহু সতর্কতার সাথে লিখুন।
  • সকল তথ্য দেয়া হলে ‘ভোটার তথ্য দেখুন ‘ নামক বাটনে ক্লিক করুন।
  • উপরের তথ্যগুলো আপনি যদি সঠিক ভাবে দিয়ে থাকেন তাহলে এরপরেই আপনি যে জাতীয় পরিচয়পত্রটি সংগ্রহ করতে চাচ্ছেন তা দেখতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন করুন

উপরের নিয়মানুসারে আপনার কাঙ্খিত ভোটার আইডি কার্ড এর সকল তথ্য দেখতে পেলে পরবর্তী কাজ গুলোর মাধ্যমে আপনি রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।

এজন্য যা করতে হবে-

১। রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য প্রথমে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। তবে যদি আপনার একাউন্ট থেকে থাকে, তবে লগইন অপশন সিলেক্ট করবেন।

২। নিচের মত একটি পেজ পেয়ে যাবেন।

৪। উপরের ছবিতে যেসব তথ্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে তা সঠিক ভাবে পূরণ করে সাবমিট করুন।

৫। এরপর আপনাকে নিজের ঠিকানার তথ্য দিতে হবে।

৬। ছবির সকল তথ্য পূরণ করুন এবং পরবর্তীতে ক্লিক করুন।

৭। মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে আপনাকে একটি verification code দিতে হবে।

৮। পরবর্তীতে লগইন এর সুবিধার্থে আপনি একটি পাসওয়ার্ড ঠিক করুন এবং এর মাধ্যমেই আপনার রেজিষ্ট্রেশন সফলভাবে হয়ে যাবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড এর রেজিষ্ট্রেশনের জন্য আপনার কাছে যেসব তথ্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে অবশ্যই তা সঠিক  ভাবে দিতে হবে না হলে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য আপনার আবেদনটি গ্রহণ করা হবে না।

তাই সঠিক তথ্য দেয়ার সাহায্যে উপরের নিয়মানুযায়ী আপনি নিজেই সহজে রেজিষ্ট্রেশনের কাজটি করে ফেলুন এবং নিজেই অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ।

অনলাইন থেকে আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন

১। রেজিষ্ট্রেশনের সময় আপনি যে পাসওয়ার্ডটি সেট করেছেন তা লগইনের সময় আপনার দরকার হবে।

২। লগইন এর জন্য আপনার NID নম্বর, পাসওয়ার্ড এবং একটি ক্যাপচা হুবহু লিখে লগইন করুন।

৩। সেখানে নিচের ছবির মতো কিছু তথ্য দেখতে পাবেন। ডাউনলোড নামক অপশন এর মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত ভোটার আইডি কার্ড এর pdf file পাবেন।

৪। এটি  প্রিন্ট-আউট করে লেমিনেটিং করলেই আপনার প্রয়োজন অনুসারে যেকোন কাজে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

অনলাইন থেকে কারা ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন?

১. নতুন নিবন্ধিত ভোটার যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র এখনও মুদ্রিত হয়নি, তারা বিনা ব্যয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুলিপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

২. যারা এর আগে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছিলেন তাদের পুনরায় জাতীয় পরিচয়পত্র অনুলিপি ডাউনলোড করার জন্য হারিয়ে যাওয়া বা ক্ষতির জন্য ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।

৩. যারা সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন তারা সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন সংশোধন হওয়ার পরে।

তথ্যসূত্র: services.nidw.gov.bd

সুতরাং, আপনি যদি এখনো অরিজিনাল জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে না পেয়ে থাকেন, তাহলে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

যদি আপনার আইডি কার্ডে কোন ভুল থেকে থাকে, এবং আপনি সংশোধনের জন্য আবেদন করে থাকেন, তবে মূল কপি পাওয়ার আগে অনলাইনে আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন।

অথবা, আপনার ভোটার আইডি কার্ড যদি হারিয়ে যায়, এবং আপনি রিইস্যু করেন, তবে রিইস্যু করার পর অনলাইনে আইডি কার্ড কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে পুনরায় পেতে কিভাবে আবেদন করবেন?

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কিংবা কোনো তথ্য হালনাগাদের প্রয়োজন হলে পুনরায় পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরের ছবিতে যে প্রোফাইল ও রিইস্যু অপশন রয়েছে এর মাধ্যমে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের যেকোনো তথ্য সহজেই পরিবর্তন করতে পারবেন।

যদি ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে যায় কিংবা চুরি হয় সেক্ষেত্রে অনলাইনে আবেন করে আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারেন। তবে আবেদন করার আগে প্রথমে জিডি করতে হবে, কেননা আবেদনের সময় জিডি কপি দাখিল করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে পুনরায় নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে অফলাইন এবং অনলাইন দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যায়।

অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করে লগইন করুন। এরপর উপরের ছবির রিইস্যু অপশনে ক্লিক করলে আপনার রিইস্যুর পুনর্মুদ্রণ কারণ, জিডি নম্বর, থানা, পুলিশ অফিসারের নাম, পুলিশ অফিসারের পদবী, জিডির তারিখ পূরণ করতে হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আবেদন সফল হবে এবং আপনি পুণরায় অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

অফলাইনে হারানো আইডি কার্ড ফিরে পেতে জিডির কপি নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যেতে হবে।

জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার নিয়ম

জাতীয় আইডি কার্ডে অনেক সময়ই ভুলবশত তথ্যগুলো সঠিক আসে না। এর বিভিন্ন কারন রয়েছে হয়ত আমাদের দেয়া তথ্য বা অপারেটরের তথ্য সংগ্রহ ভুল হতে পারে।

তবে যে কারনেই আপনার পরিচয় পত্রটি ভুল আসুক না কেন অবশ্যই আপনাকে সেটি সঠিক করতে হবে না হলে আপনাকে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তাই, আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করে অনলাইন থেকে আপনার নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল তথ্যসমূহ সংশোধনের ধরণ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তথ্যের সঠিক প্রমাণস্বরুপ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের দরকার হয়। যেমন, ভুল পিতামাতার নাম, নিজের পরিচয়, ঠিকানা, ব্লাড গ্রুপ ছাড়াও বিভিন্ন তথ্য সঠিক করনের জন্যে আপনার জন্ম নিবন্ধন, এসএসসি সনদ, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পিতা মাতার আইডি কার্ড, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট ইত্যাদি প্রমানসরূপ দেখাতে হয়।

কিভাবে আইডি কার্ডটির তথ্য সংশোধন করবেন?

জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন এর জন্য একটি ফর্ম রয়েছে। যা মূলত এ ধরনের

অরিজিনাল ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফর্ম ডাউনলোড করতে লিঙ্কটি ব্যবহার করতে পারেন।

উপরোক্ত ফর্মটি ডাউনলোড করে যথাযথ সকল তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করুন। আপনার পরিচয় পত্রের আগের ভুল তথ্য এবং বর্তমান সংশোধিত তথ্য গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিন।

ফর্মটি পূরণ করা ছাড়াও এর সাথে ভুল তথ্য সঠিক করনের ক্ষেত্রে প্রমান হিসেবে জরুরি কাগজপত্র সাথে নিতে ভুলবেন না।

পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের ধরণ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তথ্যের প্রমাণস্বরুপ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রগুলো হল – এসএসসি সনদ, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, পিতা মাতার আইডি কার্ড ইত্যাদি।

ফর্মটি পূরণ করা হয়ে গেলে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ এই ফর্মটি উপজেলা অফিসে ফর্মটি জমা দিন। পরর্বতী সকল কর্যক্রম আপনি তাদের মাধ্যমেই জানতে পারবেন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

অনলাইনে ঘরে বসেই জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন করার জন্য আবেদন করা যায়। এজন্য আপনার services.nidw.gov.bd সাইটের প্রোফাইলে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর নিচের ছবির মতো প্রোফাইল মেন্যুতে ক্লিক করুন। ছবির ডান পাশের মতো এডিট বাটন দেখতে পারবেন। এডিট বাটনে ক্লিক করলে আপনার প্রয়োজনীয় ভোটার আইডি কার্ডের যেকোন তথ্য সংশোধন করে জমা দিতে পারবেন।ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়মঅনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড প্রথমবার সংশোধন করার আবেদন ফি ২০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা, এবং পরবর্তী প্রতিবার ৪০০ টাকা করে জমা দিতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন ফি রকেট এর মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি

প্রোফাইল পেজের edit option টিতে ট্যাব করে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য এডিট করে পরবর্তীতে প্রগ্রেস করলে আপনার পূর্ববর্তী ইনফো এবং পরিবর্তিত ইনফো দেখাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ট্রাঞ্জেকশন ট্যাবে যাবেন, এখানে আপনার আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমা দিতে হবে।

প্রতিটি ভুল সংশোধনের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কিছু টাকা বা ফি প্রদান করতে হবে। এছাড়া আপনার সংশোধনের কাজটি সম্পন্ন হবে না।

কি পরিমান ফি হতে পারে? কোন ভুলের জন্য কত ফি হতে পারে?

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন এর জন্য সাধারণ ডেলিভারী ফি 230 টাকা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য তথ্য সংশোধন এর জন্য সাধারণ ডেলিভারী ফি 345 টাকা, অন্যান্য তথ্য সংশোধন এর জন্য সাধারণ ডেলিভারী ফি 115 টাকা।

আপনি যদি স্মার্ট আইডি কার্ড পেয়ে থাকেন এবং সংশোধন করার প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রেও একই পরিমাণ ফি জমা দিতে হবে।

এছাড়াও, আপনার ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার দিয়েও সংশোধন ফি কত হবে, তা জানতে পারবেন। এজন্য services.nidw.gov.bd/nid-pub/fees লিঙ্কটিতে প্রবেশ করে আপনার আইডি কার্ড নাম্বার, আবেদনের ধরন, এবং বিতরনের ধরন সিলেক্ট করে হিসাব করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমাদানের নিয়ম

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি রকেট, ওকে ওয়ালেট, বিকাশ এবং ব্যাংক ড্রাফট এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। তবে যেহেতু সবচেয়ে ভালো উপায় রকেট এবং দ্রুত ট্রাঞ্জেকতশন আপডেট করে দেয়, তাই আমরা এই পদ্ধতিটিই দেখাবো। অনেকক্ষেত্রে বিল পরিশোধ করার পর স্ট্যাটাস আপডেট হতে ২-৩ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যায়।ভোটার আইডি-কার্ড সংশোধন ফি জমাদানের নিয়মআপনার রকেট একাউন্ট থেকে *৩২২# ডায়াল করে উপরের ছবির নিয়ম অনুসরণ করে খুব সহজেই সার্ভিস ফি জমা দিতে পারবেন।

এছাড়া বিকাশ অ্যাপে বিল পে অপশন সিলেক্ট করে NID লিখে সার্চ করলে অপশন পাবেন। রকেট এবং ওকে ওয়ালেট অ্যাপের বিল পে অপশনে গিয়ে ১০০০ লিখে সার্চ করলে EC Bangladesh অপশন পাবেন।

১। অপশনটি সিলেক্ট করে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বারটি সঠিকভাবে প্রদান করুন।

২। Application Type লেখাটিতে ক্লিক করুন। এখানে আপনার সংশোধনের ধরন অনুযায়ী সংখ্যা প্রদান করুন।

  • ব্যাক্তিগত ইনফো কারেকশানের জন্য ১
  • অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য ২
  • উভয় তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে ৩
  • রিইস্যু করার জন্য ৪ এবং
  • জরুরী রিইস্যু করার জন্য ৫ লিখতে হবে

৩। পুনরায় সকল তথ্য চেক করার পর “Validate” বাটনে ক্লিক করুন।

৪। আপনার রকেট একাউন্টের পিন দেওয়ার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন।

ফি প্রদান পরবর্তী প্রক্রিয়া

পুনরায় ট্রানজেকশন পেজটি রিলোড করুন। রিলোড হওয়ার পর আপনার পরিশোধকৃত অর্থের পরিমানটি দেখতে পেলে “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।

আপনার দেওয়া তথ্য সমূহ ভেরিফিকেশন করার সুবিধার্থে যেকোন বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা জন্ম সনদ এর স্ক্যান করা কপি আপলোড করতে হবে। সার্টিফিকেট বা সনদের স্ক্যান কপি যুক্ত করে “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।

আবেদনকৃত ভোটার আইডি কার্ডের সকল তথ্য পরিবর্তন প্রক্রিয়া শেষ হলে “সাবমিট” বাটনে ক্লিক করুন। বিস্তারিত তথ্য বাটনে ট্যাব করে আবেদনের ফাইল ডাউনলোড করে নিন।

আবেদন দাখিলের কিছুদিন পর আপনার আইডি কার্ড সংশোধন সম্পন্ন হলে মোবাইলে মেসেজ আসার কথা, তবে না আসলেও অনলাইনে লগইন করে চেক করুন এবং অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড আবেদন করার নিয়ম

অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন বর্তমানে ঘরে বসেই। কেননা, আপনার বয়স যদি আঠার বছর বা তার বেশি হয়, এবং ভোটার না হয়ে থাকেন, কিংবা আবেদন না করে থাকেন, তবে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করে সংগ্রহ করতে পারেন। চলুন দেখে নেয়া যাক, কিভাবে আবেদন ও অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করবেন।

  • প্রথমে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে services.nidw.gov.bd সাইট ভিজিট করুন।
  • “নতুন নিবন্ধনের জন্য আবেদন” অপশনটিতে ক্লিক করুন।
  •  পেআপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দাখিল করার জন্য ফরম পাবেন, সেটি পূরণ করার পর অন্য একটি পেজে নেওয়া হবে, যেখানে আরো বিস্তারিত তথ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজ আপলোড করতে হবে যেমন: ছবির স্ক্যান কপি, বয়সের প্রমান পত্র বা জন্ম সনদ, সার্টিফিকেট, ইত্যাদি।
  • ফর্মটি ফিলাপ করার সময় অবশ্যই সাবধানতা বজায় রাখবেন কেননা, আপনার পূরণ করা তথ্যই পরবর্তীতে আপনার ভোটার আইডি কার্ডে দেখতে পাবেন।
  • পুনরায় সকল তথ্য চেক করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
  • আবেদনের কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।
  • প্রিন্ট কপি আপনার নিকটস্থ উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে জমা দিলে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের কাজ শুরু হবে।
  • পরবর্তীতে আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ আসবে, যেখানে থাকা ইনফরমেশন ব্যবহার করে অনলাইনে একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।
  • একাউন্টে লগইন করে অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ।
  • এছাড়া, আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিও কিছুদিনের মাঝেই চলে আসবে।

কোন কোন ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রয়োজন হয়?

জাতীয় পরিচয়পত্র প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। প্রায় ২২ টি ক্ষেত্রে এর ব্যবহার রয়েছে-

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য,
  • আয়করদাতা সনাক্তকরন নম্বর পেতে,
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স করা ও নবায়নের করতে,
  • ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য,
  • পাসপোর্ট করা ও নবায়নের ক্ষেত্রে,
  • যানবাহন রেজিস্ট্রেশনের করতে,
  • চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে, বীমা স্কিম এ অংশগ্রহণের জন্য,
  • স্থাবর- সম্পত্তির ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে,
  • বিয়ে ও তালাক রেজিষ্ট্রেশনের জন্য,
  • ব্যাংকের হিসাব খোলার ক্ষেত্রে,
  • নির্বাচনে ভোটার শনাক্ত করার জন্য,
  • গ্যাস পানি  বিদ্যুৎ সংযোগ,
  • সরকারি বিভিন্ন ভাতা পাওয়া জন্য,
  • ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে,
  • টেলিফোন ও মোবাইল সংযোগের ক্ষেত্রে,
  • সরকারি ভর্তুকি,সাহায্য,সহযোগিতা পেতে,
  • শেয়ার আবেদন ও বিও হিসাব খোলার ক্ষেত্রে,
  • ই-টিকেট এর জন্য,
  • আসামি-অপরাধী শনাক্ত করতে,
  • বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর পেতে,
  • সিকিউর ওয়েব লগইন করতে।

এই সকল ক্ষেত্রের সেবা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে না পারলে আপনি এসব সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। তাই অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কাজে লাগান।

ভোটার আইডি সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য

প্রশ্নঃ ভোটার আইডি কার্ড / প্রাপ্তি স্বীকারপত্র বা  স্লিপ হারিয়ে গেলে কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি / স্লিপ ছাড়া কি আপনি আপনার পরিচয় পত্রটি পেতে পারেন?

উত্তরঃ নিকটতম থানায় আপনার হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড বা স্লিপটির জন্য যে জিডি করা হয়েছে সেই জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

এছাড়া হারানো কার্ড পেতে হলে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে থেকে এসকল তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। অনলাইনে কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড বের করবেন তার নিয়ম এই লেখার শুরুতে দেওয়া আছে।

প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুলক্রমে আসা নিজের নাম, পিতা/মাতার নাম, স্বামীর নাম বা  এসংক্রান্ত যেকোন তথ্য সংশোধন করবো কিভাবে?

উত্তর: উপরোক্ত সকল তথ্য সংশোধনের জন্য আপনাকে সঠিক প্রমান পত্র সহ সংশোধন ফর্মটি পুরন করে  সংশ্লিষ্ট উপজেলা অফিসে /জেলা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে।

প্রশ্নঃ পেশা পরিবর্তন, নাম সংযোজন, ঠিকানা পরিবর্তন, রক্তের গ্রুপ, বয়স বা জন্মের তারিখ পরিবর্তনের জন্য কি করনীয়?

উত্তর: অফিসের প্রামানিক কাগজপত্র, নাম সংযোজনে স্বামীর আইডিকার্ডের তথ্য, বর্তমান এলাকায় আবস্থারত সঠিক তথ্য, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঠিক রিপোর্ট, জন্ম নিবন্ধনের কপি সহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সহ সংশোধনীর ফর্ম  উপজেলা অফিসে জমা দেয়ার মাধ্যমে এটি করা সম্ভব।

নির্বাচন কমিশনের হেল্প লাইন

আপনার পরিচয়পত্রের যেকোন সমস্যা যেমন ভুল তথ্য সংশোধন, অনলাইনে আইডি কার্ড ডাওনলোড রেজিষ্ট্রেশন করার নানা সমস্যাগুলোর জন্য আপনি চাইলেই নির্বাচন কমিশনের হেল্পলাইন দ্বারা সাহায্য পেতে পারে।

  • যোগাযোগের ঠিকানাঃ নির্বাচন ভবন (৭-৮তলা), আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭
  • কল সেন্টার নম্বরঃ ১০৫
  • হেল্পলাইন ইমেইলঃ info@nidw.gov.bd
  • ফেইসবুক পেইজ ভিজিট করুনঃ fb/bd.nid
  • হেল্প লাইন নম্বরঃ +8801708501261 যোগাযোগের সময়ঃ রবি-বৃহস্পতি, সকাল ৯:০০টা – বিকাল ৫:০০টা পর্যন্ত

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড নিয়ে শেষ কথা

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। আমাদের সকলের উচিত ১৮ বছর পূর্ণ হলে ভোটার তালিকায় নিজের নামটি সংযুক্ত করা।

বর্তমানে পুরনো আইডি কার্ডের পরিবর্তে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়াটি এখন পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে।

আশা করা যায় খুব শিগগিরই সকল পুরনো আইডি কার্ড এর পরিবর্তে নতুন স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান সম্পন্ন হবে। বর্তমানে যে ভোটার তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে তাদেরকে নতুন স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে।

তাই আপনি যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে থাকেন এখনই নিজের নামটি ভোটার তালিকায় তুলে ফেলুন এবং নিজের স্মার্ট আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করুন, যা আপনাকে বিভিন্ন ধরনের সেবা পেতে সহায়তা করবে। যদি অরিজিনাল জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সময় লাগে তবে অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন ।

আশা করি, আজকের লেখাটি আপনার কাজে আসবে বলে মনে করি। উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে আপনি এখন ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে  আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড চেক, ডাউনলোড ও সংগ্রহ করতে পারেন।

Check Also

Walton WS2129 speaker, Walton ws2160 speaker,Walton brings new Chorus speakers

ওয়ালটন বাজারে নিয়ে আসলো নতুন স্পিকার | Walton New Speaker 2022

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নতুন দুটি মডেলের স্পিকার বাজারে এনেছে। ‘কোরাস’ প্যাকেজিং-এ 2.1 মাল্টিমিডিয়া স্পিকারের …