Friday , October 18 2019
Home / টিপস এন্ড ট্রিকস / কেন ডিএসএলআর কিনবেন?

কেন ডিএসএলআর কিনবেন?

বর্তমানে ফটোগ্রাফি বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে লম্বা লেন্সযুক্ত ডিএসএলআর। কখনো কি ভেবে দেখেছি কেন আসলো এই ডিএসএলআর? কি ই বা দরকার ছিল এর? এইসব প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এই আর্টিকেলটি লিখা।

১. ছবির মানঃ ডিএসএলআর ক্যামেরাতে ইমেজ সেন্সর বৃহত্তর হওয়ায় পিক্সেল সাইজও বৃহত্তর হয় এবং ক্যামেরাটিকে অপেক্ষাকৃত দ্রুত আইএসওতে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। ফলে শাটার স্পীড ও দ্রুত হয় এবং গ্রেইনের পরিমাণ কমে যায়। ডিএসএলআর ক্যামেরাতে আরও আছে বিল্ট-ইন নয়েস-রিডাকশন ক্যাপাবিলিটি।

২. অভিযোজন-প্রবণতাঃ ডিএসএলআর ক্যামেরার লেন্স পরিবর্তনের ক্ষমতা ফটোগ্রাফারদের অফুরন্ত সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। অনেক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লেন্স যেমন ওয়াইড এঙ্গেল বা সুপার লং ফোকাল লেংথ লেন্স ডিএসএলআর ক্যামেরায় লাগানো যায়। এছাড়াও আরও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ডিএসএলআর ক্যামেরায় ব্যবহার করা যায়। এটি লক্ষণীয় যে মানের বৈচিত্রে লেন্স বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। লেন্সের কোয়ালিটি  ইমেজ কোয়ালিটির উপর ব্যপক প্রভাব ফেলে।

৩. গতিঃ স্টার্ট আপ, ফোকাসিং ও শাটার ল্যাগের দিক থেকে ডিএসএলআর ক্যামেরার গতি অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি।

৪. অপটিক্যাল ভিউফাইন্ডারঃ রিফ্লেক্স মিররের কারনে ডিএসএলআর ক্যামেরা আদর্শ ছবি ধারন করতে পারে।

৫. বৃহত্তর আইএসও রেঞ্জঃ যদিও ক্যামেরার মান ভেদে আইএসও রেঞ্জ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে তবুও সাধারণত ডিএসআলআর ক্যামেরা বিস্তৃত আকারে আইএসও রেঞ্জ প্রদান করে যার সাহায্যে বিভিন্ন পরিবেশে সহজেই ছবি তোলা যায়।

৬. ম্যানুয়াল কনট্রোলঃ ডিএসএলআর ক্যামেরা এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে করে ব্যবহারকারী নিজের ইচ্ছামতো ক্যামেরার বিভিন্ন সেটিংস্‌ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যদিও এতে অটো মোড রয়েছে কিন্তু একজন ভালো ফটোগ্রাফার সবসময়ই আশা করেন ক্যামেরার সেটিংস্‌ যাতে তার নিয়ন্ত্রণেই থাকে।

৭. রিটেইনিং ভ্যালুঃ বলা হয়ে থাকে যে ডিএসএলআর ক্যামেরার মান পয়েন্ট ও শুট ক্যামেরার চেয়ে বেশি কারন ডিএসএলআর ক্যামেরার মডেল পয়েন্ট ও শুট ক্যামেরার মতো এত দ্রুত আপগ্রেড হয়না। তাছাড়াও এই ক্যামেরার লেন্স বিভিন্ন মডেলের ডিএসএলআর ক্যামেরায় ব্যবহার করা যায়। ক্যামেরার মডেল পরিবর্তন করে ভবিষ্যতে যদি আপগ্রেড করতে হয় তখন লেন্স নিয়ে কোনও সমস্যা হয়না।

Check Also

নির্দিষ্ট সময়ে পিসিকে যেভাবে অটো শাট ডাউন করবেন

বর্তমান যুগ অটোমোশনের যুগ। কম্পিউটারের প্রায় সব কাজকেই এখন অটোমোশনের আওতায় নিয়ে আশাকরি এবং বন্ধ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *